Chhayarekha
About the book
এই বইটি সময় এবং ঘটনার সারমর্ম ক্যাপচার করে, কীভাবে নির্দিষ্ট লাইন মানুষকে একত্রিত বা বিভক্ত করতে পারে তা চিত্রিত করে। এই লাইনগুলি এক দৃষ্টিকোণ থেকে দৃশ্যমান হতে পারে কিন্তু অন্য দৃষ্টিকোণ থেকে অস্তিত্বহীন। এগুলি কেবল একজন ব্যক্তির স্মৃতিতে থাকতে পারে তবে অন্যদের দ্বারা কল্পনা করা যেতে পারে। আখ্যানটি একটি নির্দিষ্ট গল্প বলার চেষ্টা না করেই বিভিন্ন লোকের স্মৃতির একটি জটিল জাল বুনেছে। পরিবর্তে, এটি পাঠককে জড়িতদের স্মৃতি ব্যবহার করে তাদের নিজস্ব গল্প তৈরি করতে দেয়, যাদের প্রত্যেকেরই ভিন্ন অভিজ্ঞতা রয়েছে। উপন্যাসটি স্বদেশী আন্দোলন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ভারত বিভাজন এবং ঢাকা ও কলকাতায় 1963-64 সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সহ উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক ঘটনার সময় রচিত।
Read more₹
140
₹ 116.2 17% off
Available
Format
About the Book
এই বইটি সময় এবং ঘটনার সারমর্ম ক্যাপচার করে, কীভাবে নির্দিষ্ট লাইন মানুষকে একত্রিত বা বিভক্ত করতে পারে তা চিত্রিত করে। এই লাইনগুলি এক দৃষ্টিকোণ থেকে দৃশ্যমান হতে পারে কিন্তু অন্য দৃষ্টিকোণ থেকে অস্তিত্বহীন। এগুলি কেবল একজন ব্যক্তির স্মৃতিতে থাকতে পারে তবে অন্যদের দ্বারা কল্পনা করা যেতে পারে। আখ্যানটি একটি নির্দিষ্ট গল্প বলার চেষ্টা না করেই বিভিন্ন লোকের স্মৃতির একটি জটিল জাল বুনেছে। পরিবর্তে, এটি পাঠককে জড়িতদের স্মৃতি ব্যবহার করে তাদের নিজস্ব গল্প তৈরি করতে দেয়, যাদের প্রত্যেকেরই ভিন্ন অভিজ্ঞতা রয়েছে।
উপন্যাসটি স্বদেশী আন্দোলন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ভারত বিভাজন এবং ঢাকা ও কলকাতায় 1963-64 সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সহ উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক ঘটনার সময় রচিত।
Book details
- Format
- Paperback
- Publisher
- Sahitya Akademi
- Weight
- 300 grams
- ISBN-13
- 9788126022175
- Pages
- 300
- Reading time
- ~10 hrs
- Age
- 18+
- Country of origin
- India
- Dimensions
- 13 × 20 cm
- Language
- Bengali
Customer reviews
Be the first to write a review
Read this one? Tell other readers what you thought about the story, the translation and the print.
Chhayarekha does not tell a single story; it assembles a mosaic of memories from different minds, each recalling the same lines—geographical, emotional, temporal—in conflicting ways. This Bengali contemporary fiction explores how borders exist vividly for one person yet remain invisible to another, how a lived experience becomes someone else's imagination. Published by Sahitya Akademi, the novel refuses linear narrative, instead inviting readers to construct meaning from overlapping recollections of people whose lives were shaped by partition, migration, and the quiet violence of erasure. The prose interrogates perception itself: what we choose to remember, what we are forced to forget, and how collective history fractures into private mythologies. Chhayarekha offers no resolution, only the shadow-lines of human experience—elusive, contested, indelible.
ছায়ারেখা পড়লে আমি কেমন অনুভূতি পাব?
এই বইটি পড়ার অভিজ্ঞতা রৈখিক নয়, বরং স্তরবিন্যস্ত এবং চিন্তাশীল। আখ্যানটি ধীরগতিতে এগোয়, বিভিন্ন মানুষের স্মৃতির টুকরো একসাথে জোড়া দেয়। পাঠক নিজেই গল্পের স্থপতি হয়ে ওঠেন—প্রতিটি চরিত্রের দৃষ্টিকোণ থেকে একটি বৃহত্তর সত্যের আভাস পান। ছায়ারেখা একটি নীরব, উদ্বেগজনক অনুভূতি রেখে যায়, যেন অদৃশ্য রেখাগুলি আপনার নিজের জীবনেও বিদ্যমান। এটি ধৈর্যশীল, মনোযোগী পাঠকদের জন্য যারা অস্পষ্টতা এবং খণ্ডিত আখ্যানের মধ্যে সৌন্দর্য খুঁজে পান।
এই বইটি কাদের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত এবং পাঠকের কাছে কী প্রত্যাশা করে?
ছায়ারেখা সেই পাঠকদের জন্য যারা দেশভাগ, স্মৃতি এবং পরিচয়ের জটিলতায় আগ্রহী। এটি সরল বর্ণনা চায় না—বরং বিভিন্ন কণ্ঠস্বর ও দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অর্থ নির্মাণ করার ধৈর্য ও মানসিক নমনীয়তা দাবি করে। যারা ইতিহাসকে ব্যক্তিগত স্মৃতির মধ্য দিয়ে বুঝতে চান, যারা খণ্ডিত আখ্যানকে সাহিত্যিক শিল্প মনে করেন, তারা এই বইয়ে গভীরতা পাবেন। এটি সমসাময়িক বাংলা কথাসাহিত্যে পরীক্ষামূলক কৌশলের প্রতি উন্মুক্ত পাঠকদের পুরস্কৃত করে।
এই বইয়ের বিষয়বস্তু আজকের ভারতীয় পাঠকদের কাছে কীভাবে প্রাসঙ্গিক?
দেশভাগের রেখা আজও ভারতীয় উপমহাদেশের সাংস্কৃতিক স্মৃতিতে গভীরভাবে খোদাই করা। ছায়ারেখা সেই অদৃশ্য সীমানাগুলি অন্বেষণ করে যা আজও সম্প্রদায়, ভাষা এবং পরিচয়কে বিভক্ত করে। এটি প্রশ্ন তোলে: কোন স্মৃতিগুলি সংরক্ষিত হয় এবং কোনগুলি মুছে যায়? কার ইতিহাস বলা হয় এবং কার নীরব থাকে? সমসাময়িক ভারতে জাতীয়তা, স্থানচ্যুতি এবং পরিচয়ের বিতর্ক অব্যাহত থাকায়, এই উপন্যাসটি স্মৃতি ও দৃষ্টিভঙ্গির রাজনীতি নিয়ে একটি শক্তিশালী প্রতিফলন প্রদান করে।
এই লেখক এই বিষয়টিকে কীভাবে স্বতন্ত্রভাবে উপস্থাপন করেছেন?
লেখক একটি একক বর্ণনাকারীর উপর নির্ভর না করে বহু-স্বরিত, খণ্ডিত কাঠামো ব্যবহার করেছেন। প্রতিটি চরিত্রের স্মৃতি একটি আলাদা সত্য প্রকাশ করে, কিন্তু কোনোটিই সম্পূর্ণ নয়। ছায়ারেখা পাঠককে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী করে তোলে—তাদের নিজস্ব সংযোগ তৈরি করতে হয়, দৃষ্টিভঙ্গিগুলির মধ্যে ব্যবধান পূরণ করতে হয়। এই পদ্ধতি দেশভাগ সাহিত্যে অনন্য, কারণ এটি একক ট্র্যাজেডি নয় বরং বহু মানুষের বিক্ষিপ্ত, প্রতিদ্বন্দ্বী স্মৃতির একটি সমাবেশ তুলে ধরে।
এই বইটি পাঠকের মনে দীর্ঘমেয়াদে কী রেখে যায়?
ছায়ারেখা শেষ করার পরও পাঠকের মনে অস্পষ্টতা এবং প্রশ্নের ছায়া থেকে যায়। এটি চূড়ান্ত উত্তর দেয় না, বরং স্মৃতির অবিশ্বস্ততা এবং ইতিহাসের বহুমুখিতা নিয়ে চিন্তা জাগায়। আবেগগতভাবে, এটি হারানো, স্থানচ্যুতি এবং অপূর্ণতার এক নিঃশব্দ শোক রেখে যায়। বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে, এটি পাঠককে প্রশ্ন করতে বাধ্য করে: আমরা কী মনে রাখি এবং কেন? সাংস্কৃতিকভাবে, এটি দেশভাগকে শুধু রাজনৈতিক ঘটনা নয়, বরং ব্যক্তিগত, জীবন্ত স্মৃতির একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে পুনর্বিবেচনা করতে আমন্ত্রণ জানায়।
